
নোয়াখালী-৫ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও দলের নির্বাহী কমিটির সহ-পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ বলেছেন, “মসজিদ হলো প্রার্থনার স্থান, রাজনীতির নয়। কাশেমবাজার মসজিদে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি আমাদের নেওয়াজপুর ইউনিয়নের জন্য দুঃখজনক ও কলঙ্কজনক।”
তিনি বলেন, “মসজিদ হচ্ছে আল্লাহর ঘর, যেখানে সবাই সমানভাবে নামাজ পড়ার অধিকার রাখে। এদেশের ৮৮ শতাংশ মানুষ মুসলমান—তাই মসজিদকে কেউ দুনিয়াবী বা রাজনৈতিক সংঘাতের জায়গায় পরিণত করবেন না।”
বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ আরও বলেন, “আমরা শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলনে ১৭ বছর ধরে সংগ্রাম করছি। এখন যখন পরিবর্তনের সঠিক সময় এসেছে, তখন নিজেদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করলে তার সুযোগ নেবে ফ্যাসিস্ট সরকার। আমাদের ভুল বোঝাবুঝিতেই তারা আজ অট্টহাসি দিচ্ছে।”
তিনি বলেন, কাশেমবাজার মসজিদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকারের সঙ্গে কথা বলেছেন। “আমি তাঁকে বলেছি—এ ধরনের ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে আমরা বসে আলোচনা করেই মীমাংসা করব।”
বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ বলেন, “কাশেমবাজারের ব্যবসায়ীরা এখনও আতঙ্কিত রয়েছেন। আমি তাদের বলব—ভয় পাবেন না, আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে যান।”
তিনি আরও বলেন, সংঘর্ষে বিএনপির অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে তিনি তাঁর সংসদীয় এলাকা নোয়াখালী-৫ আসনের নেওয়াজপুর ইউনিয়নের কাশেমবাজার এলাকায় সফরকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কবিরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু, সদস্য সচিব বেলায়েত হোসেন খোকন, নেওয়াজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এর আগে তিনি কাশেমবাজার মসজিদে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৩০ জন বিএনপি নেতাকর্মীর খোঁজখবর নেন এবং তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ জেলহক হোসেন,
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আলামিন হোসেন, বার্তা সম্পাদক: মাসুদ মোশাররফ
মোবাইল: 01712458580, 01643-119696
ঢাকা অফিস: ৪৩ নয়াপল্টন ২য় তলা(পল্টন থানার বিপরীতে) ঢাকা-১০০০।
Copyright © 2026 দৈনিক যমুনা সংবাদ. All rights reserved.