1. admin@dailyjamunasongbad.com : admin :
গোমস্তাপুরে গরুর ল্যাম্পি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে ক্ষতির মুখে খামারিরা :চাই বিনামূল্যে ভ্যাকসিন - দৈনিক যমুনা সংবাদ
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় প্রবাসী আনাস আবদুল লতিফের সফলতা গল্প তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে আইনের পাশাপাশি বিজ্ঞানভিত্তিক ও সমন্বিত প্রতিরোধের আহ্বান রামগতিতে হাজীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলে সংঘটিত ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭৮ জনের প্রাণহনি দুর্গা নারায়নপুর পুটিয়া গ্রামে ১৬০০ ফুট পাকা রাস্তাবিহীন চলছে জনদুর্ভোগ সাতপুঠিয়া যুব সংগঠনের উদ্যোগে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার বিতরণ বুড়িমারী স্থলবন্দরে টানা ৮ দিন বন্ধ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শ্রীপুরে পূর্ণ বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন,সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টা, বাঁধা দিলো বিজিবি ‎ কুইন মারিয়া ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী বিতরণ

গোমস্তাপুরে গরুর ল্যাম্পি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে ক্ষতির মুখে খামারিরা :চাই বিনামূল্যে ভ্যাকসিন

মোঃ তুহিন ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫
  • ৭৭ বার পঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গবাদিপশুর মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ (Lumpy Skin Disease – LSD)। এ ভাইরাসে আক্রান্ত গরুর শরীরে চাকা চাকা ফোলা দাগ, উচ্চ জ্বর, দুর্বলতা ও খাওয়ার অনীহা দেখা দিচ্ছে। ইতোমধ্যে গরুর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। ফলে খামারিদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

এই রোগটি সাধারণত বর্ষাকাল ও শরৎকালে বেশি দেখা যায়, যখন বাতাসে আর্দ্রতা থাকে এবং মশা-মাছির প্রজনন বেড়ে যায়। কারণ, এই ভাইরাস মূলত মশা, মাছির মাধ্যমে গরুর দেহে প্রবেশ করে ছড়িয়ে পড়ে।

উপজেলার মিরাপুর গ্রামের খামারি সাব্বির হাসান বলেন,
“আমার একটি গরু হঠাৎ করে দুর্বল হয়ে পড়ে, তারপর গোটা গোটা ফোলা দেখা যায়। ডাক্তার এসে জানান এটি ল্যাম্পি ভাইরাস। এখন চিকিৎসা চলছে, তবে প্রতিদিন অনেক খরচ হচ্ছে। যদি আগেই ভ্যাকসিন দিতে পারতাম, তাহলে হয়তো গরুটি এতটা অসুস্থ হতো না। আরো বলেন যদি প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে উক্ত ভাইরাসের টিকা দেয়া হয় তাহলে আমাদের মতো ছোট ছোট খামারি ‘রা উপকৃত হতাম।

পাথরপূজা গ্রামের খামারি বুলবুল আহমেদ বলেন,
“এই রোগে শুধু গরু নয়, আমরা খামারিরাও ভেঙে পড়ছি। একদিকে চিকিৎসার খরচ, অন্যদিকে কাজ বন্ধ। সময়মতো টিকা দিতে পারলে অনেক ক্ষতি এড়ানো যেত।”

তেঁতুলতলা গ্রামের খামারি বাবু জানান,
“একটি গরুতে ভাইরাস ধরা পড়ার পর সব চেষ্টা করেও বাঁচানো যায়নি। অনেক টাকা খরচ করেও শেষ রক্ষা হয়নি। যদি পশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেয়ার ব্যবস্থা করে তাহলে গ্রামিণ প্রান্তিক খামারিদের উপকার হতো।

এ নিয়ে উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি মো. আনারুল ইসলাম বলেন,
“ল্যাম্পি ভাইরাস গোমস্তাপুরের খামারিদের জন্য বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। গরু হারিয়ে অনেকেই পথে বসার উপক্রম। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উচিত দ্রুত মাঠপর্যায়ে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়া ও সচেতনতা বাড়ানো।

ডি এইচ এম এস ,ডাঃ আব্দুল ওয়াদূদ বলেন,ল্যাম্পি ভাইরাসে আক্রান্ত গরুর আলাদা যত্ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং টিকা প্রয়োগই হতে পারে এর একমাত্র কার্যকর প্রতিকার। একই সঙ্গে খামারিদের সচেতনতা বাড়ানো এবং সরকারের কাছে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দাবি তার।

গোমস্তাপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা …….. ওয়াসিম আকরাম বলেন,
“ল্যাম্পি ভাইরাস একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা মশা-মাছির মাধ্যমে ছড়ায়। আতঙ্ক নয়, সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই এই রোগ নিয়ন্ত্রণের উপায়। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন বিতরণের জন্য আলোচনা করছি দ্রুত এই সমস্যা সমাধান দেওয়ার জন্য এবং খামারিদের চিকিৎসা সহায়তা দিচ্ছি।

এ জাতীয় আরও খবর