1. admin@dailyjamunasongbad.com : admin :
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় প্রবাসী আনাস আবদুল লতিফের সফলতা গল্প - দৈনিক যমুনা সংবাদ
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় প্রবাসী আনাস আবদুল লতিফের সফলতা গল্প তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে আইনের পাশাপাশি বিজ্ঞানভিত্তিক ও সমন্বিত প্রতিরোধের আহ্বান রামগতিতে হাজীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলে সংঘটিত ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭৮ জনের প্রাণহনি দুর্গা নারায়নপুর পুটিয়া গ্রামে ১৬০০ ফুট পাকা রাস্তাবিহীন চলছে জনদুর্ভোগ সাতপুঠিয়া যুব সংগঠনের উদ্যোগে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার বিতরণ বুড়িমারী স্থলবন্দরে টানা ৮ দিন বন্ধ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শ্রীপুরে পূর্ণ বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন,সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টা, বাঁধা দিলো বিজিবি ‎ কুইন মারিয়া ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী বিতরণ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় প্রবাসী আনাস আবদুল লতিফের সফলতা গল্প

মো লুৎফুর রহমান রাকিব আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ১৬ বার পঠিত

২০১৪ সালে তাঁর ছোট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হ্যাশ ইনক্লুড একটি সরকারি প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিতে চেয়েছিল। কিন্তু টেন্ডার ডকুমেন্ট কেনার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৫০ দিরহাম, যা তখন তাঁর কাছে ছিল না। বাধ্য হয়ে তিনি মায়ের কাছে সাহায্য চান এবং মা তাঁকে সেই অর্থ ধার দেন।

আজ লতিফ মনে করেন, ওই ৩৫০ দিরহামই ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। কারণ সেই ছোট সহায়তাই তাঁর উদ্যোক্তা জীবনের পথ খুলে দেয়।

যদিও তাঁর UAE-র সঙ্গে পরিচয় শৈশব থেকেই, বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষে ২০০৮ সালে তিনি দুবাইয়ে ফিরে আসেন নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু শুরুটা ছিল কঠিন। কোনো ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক বা আর্থিক সহায়তা ছাড়াই তাঁকে নতুন জীবন শুরু করতে হয়।

প্রথমদিকে তিনি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করতে গিয়ে তিনি UAE-এর কর্মসংস্কৃতি, প্রতিযোগিতা এবং সুযোগের বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। আবুধাবি ট্যুরিজম অথরিটির একটি প্রকল্পে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে একটি ইভেন্ট প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার অভিজ্ঞতা তাঁকে শিখিয়েছে যে এই দেশে ফলাফলই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে তাঁকে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয়েছে। প্রযুক্তিগত দক্ষতা থাকলেও গ্রাহকদের আস্থা অর্জন এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়টি তাঁকে নতুন করে শিখতে হয়েছে।

বর্তমানে লতিফ বিশ্বাস করেন, প্রযুক্তির চেয়ে মানুষ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই তিনি তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কাজ করেন।

তাঁর গল্প প্রমাণ করে, জীবনের বড় সাফল্য অনেক সময় ছোট একটি সুযোগ বা পরিবারের একজন মানুষের বিশ্বাস থেকেই শুরু হয়। ৩৫০ দিরহামের সেই ঋণ আজও তাঁর কাছে আস্থা, পরিশ্রম ও স্বপ্নপূরণের প্রতীক।

এ জাতীয় আরও খবর