1. admin@dailyjamunasongbad.com : admin :
গোমস্তাপুরে ২০ হাজার ৭ একর জমিতে আমন চাষ, মাঠজুড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা - দৈনিক যমুনা সংবাদ
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় প্রবাসী আনাস আবদুল লতিফের সফলতা গল্প তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে আইনের পাশাপাশি বিজ্ঞানভিত্তিক ও সমন্বিত প্রতিরোধের আহ্বান রামগতিতে হাজীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলে সংঘটিত ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭৮ জনের প্রাণহনি দুর্গা নারায়নপুর পুটিয়া গ্রামে ১৬০০ ফুট পাকা রাস্তাবিহীন চলছে জনদুর্ভোগ সাতপুঠিয়া যুব সংগঠনের উদ্যোগে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার বিতরণ বুড়িমারী স্থলবন্দরে টানা ৮ দিন বন্ধ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শ্রীপুরে পূর্ণ বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন,সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টা, বাঁধা দিলো বিজিবি ‎ কুইন মারিয়া ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী বিতরণ

গোমস্তাপুরে ২০ হাজার ৭ একর জমিতে আমন চাষ, মাঠজুড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা

মোঃ তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫
  • ১১৪ বার পঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলায় চলছে আমন মৌসুমের ধান রোপণের ব্যস্ততা। মাঠের পর মাঠ জুড়ে কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন চারা রোপণ, আগাছা পরিষ্কার ও জমি পরিচর্যায়। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে গোমস্তাপুর উপজেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার ৭ একর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে যা এখনো চলমান রয়েছে ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাকলাইন হোসেন জানান, “আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকূলে থাকায় আমন চাষে তেমন কোনো বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা দেখা যায়নি। কৃষকরা নির্ধারিত সময়েই রোপণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেক এলাকায় ইতোমধ্যেই রোপণ শেষ হয়েছে এবং পরিচর্যার কাজ চলছে।”

স্থানীয় কৃষক সেন্টু আলী জানান, “এই বছর সময়মতো চারা রোপণ করতে পারছি, মাটির অবস্থাও ভালো। তবে সার আর কীটনাশকের কিছুটা সংকট থাকলেও এখনো manageable অবস্থায় আছে। যদি সরকারী সহায়তা সঠিক সময়ে মেলে, তাহলে ভালো ফলনের আশা করছি।”

তবে মাঠ পর্যায়ের কিছু কৃষক জানান, চলতি মৌসুমে এখনও পর্যাপ্ত সার ও শ্রমিক সংকট রয়ে গেছে। একইসঙ্গে কিছু এলাকায় সেচ ও জমিতে পানি ধরে রাখার সমস্যার কথাও শোনা গেছে।

এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা সাকলাইন হোসেন বলেন, “সার ও কীটনাশক সরবরাহের বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং মাঠ পর্যায়ে আমাদের কর্মকর্তারা কাজ করছেন।”

গোমস্তাপুরে আমন ধান চাষ শুধুমাত্র কৃষকদের মৌসুমি কর্মসংস্থান নয়, বরং তাদের বার্ষিক আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। তাই এ মৌসুম সফল হলে উপজেলার অর্থনীতিতে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা

এ জাতীয় আরও খবর