1. admin@dailyjamunasongbad.com : admin :
আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে দুদকের অভিযান।। অফিসার পলাতক - দৈনিক যমুনা সংবাদ
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় প্রবাসী আনাস আবদুল লতিফের সফলতা গল্প তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে আইনের পাশাপাশি বিজ্ঞানভিত্তিক ও সমন্বিত প্রতিরোধের আহ্বান রামগতিতে হাজীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলে সংঘটিত ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭৮ জনের প্রাণহনি দুর্গা নারায়নপুর পুটিয়া গ্রামে ১৬০০ ফুট পাকা রাস্তাবিহীন চলছে জনদুর্ভোগ সাতপুঠিয়া যুব সংগঠনের উদ্যোগে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার বিতরণ বুড়িমারী স্থলবন্দরে টানা ৮ দিন বন্ধ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শ্রীপুরে পূর্ণ বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন,সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টা, বাঁধা দিলো বিজিবি ‎ কুইন মারিয়া ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী বিতরণ

আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে দুদকের অভিযান।। অফিসার পলাতক

এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান আশাশুনি(সাতক্ষীরা)সংবাদদাতা
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫০ বার পঠিত

আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে দুদকের অভিযান।। অফিসার পলাত

সাতক্ষীরার  আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)এর অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আগে থেকে খবর পেয়ে পালিয়ে যান উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার মোমিন আহমেদ। প্রাথমিক তদন্তে অর্থ লেনদেনের সত্যতা মিলেছে বুঝতে পেরে তিনি পালিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুদক।
তদন্তকারী কর্মকর্তা খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ সাংবাদিকদের জানান,অবৈধ অর্থ লেনদেনের খবর পেয়ে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে আমরা বিভিন্ন ছদ্মবেশে অফিসের আশেপাশে অবস্থান করেছি। কিন্তু অভিযানের কথা জানতে পেরে অফিসার অফিস থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। এরপর নিজের ফোন বন্ধ রাখেন। অন্য নাম্বার দিয়ে অফিসের স্টাফদের সাথে যোগাযোগ করলেও দুদকের কোন কর্মকর্তার সাথে তিনি কথা বলেননি।
দুদক কর্মকর্তা আরও জানান,সরকারিকৃত কলেজের ২০০০ সালের বিধি মোতাবেক আশাশুনি সরকারি কলেজের আত্নীকৃত শিক্ষা ক্যাডারে উন্নীত করতে শিক্ষকদের কাছে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহমেদ ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। লেনদেন নিয়ে দরকষাকষির এক পর্যায়ে এই অফিসার তার সহকারী শাহারাত হোসেনকে সাথে নিয়ে কলেজে উপস্থিত হয়ে অধ্যক্ষের অফিসে বসে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করেন। একজন কর্মকর্তা কোন অফিসে গিয়ে ঘুষের টাকা চাওয়ার ঘটনা আমাদের কাছে নতুন। দাবিকৃত ঘুষের টাকার ১ম কিস্তি ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা এর আগে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ (২ডিসেম্বর) বাকি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে হাতেনাতে ধরা সম্ভব হয়নি। তবে সহকারী অফিসার শাহারাত হোসেন ও শিক্ষকদের সাথে কথা বলে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহমেদ যে টাকা নিয়েছেন তা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
এ বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। পরবর্তী পদক্ষেপ স্যারেরা নিবেন।
অভিযোগের বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহম্মেদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি তবে অফিস সহকারী শাহারাত হোসেনর সাথে কথা হলে বলেন,আমার জীবনে যা না তাই করা হয়েছে। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ।

এ জাতীয় আরও খবর