
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ক্ষতিপূরণের দাবিতে হিন্দু প্রেমিক উজ্জ্বল মাহাতোর বাড়িতে অবস্থান করছেন ৩২ বছর বয়সী তানজিলা আক্তার। গতকাল শনিবার সকালে মেয়েটি উজ্জলের বাড়িতে অনশনে বসেন। তথ্যসূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১২ বছর তানজিলা আক্তারের সাথে উজ্জল মাহাতো প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। এক পর্যায়ে দু জন চাকরি করা অবস্থায় উজ্জল ধর্মান্তিত হয়ে তানজিলাকে বিয়ের প্রলোভন দেয়।তারা প্রেম করা অবস্থায় একে অপরের সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্কে গড়ায়। কিন্তু উজ্জল তানজিলাকে বিয়ে না করে অন্য মেয়েকে বিয়ে করলে বাধে বিপত্তি। এ ঘটনায় অত্র এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একনজর তানজিলাকে দেখার জন্য মানুষ ভির করছে। উপজেলার ধুবিল ইউনিয়নের শ্যামেরঘন গ্রামে দীনেশচন্দ্র মাহাতোর ছেলে উজ্জ্বল চন্দ্র মাহাতো। তানজিলা আক্তারের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানা গাড়ামাসি গ্রামে। তানজিলা জানান, কুষ্টিয়া লেখাপড়া অবস্থায় উজ্জল মাহাতোর সাথে পরিচয় হয়। এ পর্যায়ে আমরা দুজন ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি এবং একই সাথে স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করি। দুই বছরে বিভিন্ন সময় আমাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়।সম্প্রতি তাকে বিয়ের কথা বললে তার পরিবারের চাপে পড়ে সম্পর্ক অস্বীকার করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। অথচ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সে আমার সাথে শারিরীক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। সে আমার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ায় বাধ্য হয়ে তার বাড়িতে ক্ষতিপূরণের দাবিতে অনশন শুরু করেছি।উজ্জল মোটরসাইকেলে কেনাসহ বিভিন্ন কাজের কথা বলে আমার কাছ থেকে ১০/১২ লাখ টাকা নিয়েছে। সে যেহেতু বিয়ে করেছে তাই আজ তার বাড়িতে এসেছি ক্ষতিপূরণের জন্য।এ বিষয়ে অভিযুক্ত উজ্জ্বল চন্দ্র মাহাতোর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ২০২০ সালে ঘরোয়া বৈঠকে বিষয়টা মিমাংসা করা হলেও ১৪ জুন শনিবার সকালে মেয়েটি আবার উজ্জলের বাড়িতে অনশন শুরু করে।
সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, এ নিয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।